সূরা মুজাদিলা:৫৮:১১
يٰۤاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْۤا اِذَا قِيْلَ لَكُمْ تَفَسَّحُوْا فِي الْمَجٰلِسِ فَافْسَحُوْا يَفْسَحِ اللّٰهُ لَكُمْ ۚ وَاِذَا قِيْلَ انْشُزُوْا فَانْشُزُوْا يَرْفَعِ اللّٰهُ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا مِنْكُمْ ۙ وَالَّذِيْنَ اُوْتُوا الْعِلْمَ دَرَجٰتٍ ؕ وَاللّٰهُ بِمَا تَعْمَلُوْنَ خَبِيْرٌ
হে মু’মিনগণ! যখন তোমাদের বলা হয় মজলিসের স্থান প্রশস্ত করে দাও, তখন তোমরা স্থান করে দিবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য স্থান প্রশস্ত করে দিবেন এবং যখন বলা হয় উঠে যাও, তখন উঠে যাবে। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে মর্যাদায় উন্নত করবেন; আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন, তোমরা যা কর সেই সম্পর্কে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।
এটা মজলিশের আদব সংক্রান্ত একটি আয়াত। আদবসমূহ হল:
১/ মজলিশে কেউ পরে আসলে তার জন্য নড়ে চড়ে বসে বসার জায়গা করে দেয়া। তাহলে তার জন্য জান্নাতেও জায়গা বরাদ্দ করবেন আল্লাহ ইনশাআল্লাহ!
২/ মজলিশে কাউকে উঠিয়ে নিজে না বসা বরং জায়গা করে দেয়ার জন্য রিকুয়েষ্ট করা।
৩/ মজলিশে অনুপস্থিত কারো জন্য জায়গা রেখে উপস্থিত ব্যক্তিকে বঞ্চিত না করা। যেটা বাঙ্গালী অনেক সিস্টারদেরকে মসজিদে করতে দেখা যায়।
৪/ ইমাম কিংবা বক্তার আশেপাশে জ্ঞানী এবং বিবেকবান ব্যক্তিকে প্রধান্য দেয়া যেন তিনি বক্তার কথা সংরক্ষণ করতে পারেন এবং কম জ্ঞানীদের পেছনে বসানো। এভাবে মর্যাদা অনুযায়ী সারিবদ্ধ করা সবাইকে।
৫/ নামাজের সময় কাতার সোজা করা এবং কোন ফাঁক না রাখা। তা না হলে শয়তান তাতে প্রবেশ করে। যে ফাঁক রেখে দাঁড়ায় আল্লাহও তাকে কেটে দেন, আর যে মিলিতভাবে দাঁড়ায় আল্লাহও তাকে মিলিয়ে দেন।
৬/ মসজিদের প্রতি যার আগ্রহ আছে, তার প্রতিও আল্লাহর আগ্রহ থাকে। আর যার মসজিদের প্রতি আকর্ষণ নেই তার প্রতিও আল্লাহর আকর্ষণ নেই। তাই সবসময় মসজিদের প্রতি আকর্ষণ রাখা জরুরি।
৭/ মসজিদের প্রতি আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও কোন বিশেষ কারনে মসজিদ/মজলিশ থেকে কাউকে চলে যেতে বললে(নামাজ ব্যতীত অন্য সময়) সে যেন চলে যায়। যেমন, রামাদানে ছোট বাচ্চার মায়েদেরকে তারাবীতে আসতে নিষেধ করা হয় যেন মুসুল্লীরা প্রশান্তি নিয়ে নামাজ পড়তে পারে এবং বাচ্চাদের ও কষ্ট না হয়।
Send a Comment
Your comment will be sent privately to the MCC Newsletter team and will not be published on the website.